গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ৫৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন ও স্বাধীনতা পদক ২০২৬-এর মোড়ক উন্মোচন
গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র ও গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টি অধ্যাপক ডা. আবুল কাশেম চৌধুরী বলেছেন, ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী স্বপ্ন দেখেছেন দিক নির্দেশনা দিয়েছেন, প্রকৃত অর্থে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র গড়ে তুলেছেন এর সাধারণ কর্মীরা। ২৭/০৪/২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ সোমবার গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ৫৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৬-এর মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। সম্প্রতি গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের স্বাধীনতা পদক প্রাপ্তিকে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের চিন্তা, দর্শন ও কার্যক্রমের প্রতি রাষ্ট্রের স্বীকৃতি আখ্যায়িত করে তিনি আরো বলেন, এ প্রাপ্তি গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের সকল কর্মীর শ্রম ও ত্যাগের ফসল। কাজেই গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিটি কর্মী এ প্রাপ্তির দাবিদার। সাভারস্থ গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের পিএইচএ ভবন মিলনায়তনে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রধান নির্বাহী এ এইচ এম সফিকুজ্জামান, প্রতিষ্ঠাকালীন কর্মী গীতা কর ও বিউটি রানী। গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ আবুল হোসেন, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ট্রাস্টি সন্ধ্যা রায়সহ গণ বিশ্ববিদ্যালয়, গণস্বাস্থ্য সমাজ ভিত্তিক মেডিকেল কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র ও এর অঙ্গসংগঠনের কর্মীরা এসময় উপস্থিত ছিলেন। এর আগে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের স্বাধীনতা পদক-২০২৬ এর মোড়ক উন্মোচন করা হয়।
অনুষ্ঠানের শুরুতে সকালে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রাণপুরুষ ও প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী এবং অন্যান্য শহীদদের কবরে পুস্পস্তবক অর্পণ করা হয়। এরপর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর র্যালী গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র হয়ে বিশ্ববিদ্যালয় ঘুরে পিএইচএ ভবন প্রাঙ্গণে এসে শেষ হয়। বিকেলে অনুষ্ঠিত হয় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। উল্লেখ্য এবছর দ্বিতীয় বারের মতো ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী (মরনোত্তর) এবং গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র বাংলাদেশের সর্বোচ্চ জাতীয় সম্মাননা স্বাধীনতা পদক লাভ করে।
ক্যাপশন: গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের স্বাধীনতা পদক ২০২৬-এর মোড়ক উন্মোচন করছেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র ও গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টি অধ্যাপক ডা. আবুল কাশেম চৌধুরী, গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ আবুল হোসেনসহ অন্যান্যরা।
